hasina

বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখন  ব্যাংকখাত নাকি বিমাখাত?

70

ইদানীং পুঁজিবাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করতে দেখা যাচ্ছে বিমাখাতকে। ওষুধ ও রসায়ন খাতের দাপট কমে এলেও বিমা খাতে এখনও আস্থা রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে মাঝে মধ্যে বিমা খাতের শেয়ারদর পতন হলেও তা আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এই খাতের পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ড, আর্থিক খাত, প্রকৌশল এবং বস্ত্র খাতেও সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে ব্যাংক খাত। দীর্ঘদিন থেকে এই খাত বিনিয়োগকারী টানতে পারছে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদিনও বিবর্ণ ছিল ব্যাংক খাত। অন্য খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা থাকলেও সেই তুলনায় চাহিদায় ছিল না ব্যাংক খাতের শেয়ারের। দীর্ঘদিন থেকে মোট লেনদেনে এই খাত চার থেকে সাত শতাংশের মধ্যে রয়েছে। বৃহস্পতিবারও (১৫ অক্টোবর) দিন শেষে মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

দেখাগেছে, লেনদেনে গতকালও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের শীর্ষে ছিল বিমা খাত। চাহিদার কারণে গতকাল লেনদেন শেষে বাড়তে দেখা গেছে অধিকাংশ বিমা কোম্পানির শেয়ারদর। মোট লেনদেনও আগের চেয়ে বেশি অবদান বেড়েছে। গতকাল মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান দেখতে পাওয়া যায় প্রায় ৩৪ শতাংশ। পরের অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। দিন শেষে মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১১ শতাংশ।

অন্যদিকে গতকাল প্রায় সারাদিনই ঊর্ধ্বমুখী ছিল ডিএসইর সূচক। লেনদেন শেষে গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়তে দেখা গেছে ৩৩ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচকের অবস্থান হয়েছে চার হাজার ৮৭২ পয়েন্টে।

এদিকে গতকাল  সারাদিন সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকার কারণে বিক্রয় আদেশ তুলে নেন অনেক বিনিয়োগকারী। শেয়ারদর আরও বাড়তে পারেÑএ আশায়ই মূলত বিনিয়োগকারীরা বিক্রয় আদেশ তুলে নেন। যার জের ধরে লেনদেনও কমে যেতে দেখা যায়। গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৫৪৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ১৮ কোটি টাকা ছিল ব্লক মার্কেটের লেনদেন।

এদিকে বাজার ভালো থাকায় গতকাল তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে। কোম্পানিগুলো হলো, নিটল ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ড, ইসলামিক ফাইন্যান্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ও বিডি ফাইন্যান্স।