hasina

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে একমি’র নতুন ওষুধ ‘জলপিডেম’

21

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চালু হলো ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের নতুন ওষুধ ‘জলপিডেম’। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, উৎপাদন চুক্তির মাধ্যমে কোম্পানিটি পাঁচ মিলিগ্রাম ও ১০ মিলিগ্রামের ‘জলপিডেম’ নামে একটি ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছেড়েছে। মার্কিন বাজারে ওষুধের বাজার তৈরি করা বা অন্বেষণ ছিল এক্মির উচ্চাভিলাষী এবং স্বপ্নের প্রকল্প। আর নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে এক্মি বছরে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আয় করবে বলে আশা করছে।

এদিকে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ছয় টাকা ৮৫ পয়সা, আর ২০২০ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা। ওই সময় শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে পাঁচ টাকা ৪২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১০ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় অনলাইনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ নভেম্বর।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। আলোচিত সময় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ছয় টাকা ৮১ পয়সা এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৬৯ পয়সা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবেস কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ১৩ শতাংশ বা ৮০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৯ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৯ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে দুই লাখ ছয় হাজার ৭৮টি শেয়ার মোট ৫৩০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬৮ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়। গত এক বছরে ৫৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৮৪ টাকায় ওঠানামা করে।

২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ১১০ কোটি আট লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ২১ কোটি ১৬ লাখ এক হাজার ৭০০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ২৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১০ দশমিক ১৯ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৯ দশমিক ৭৫।