hasina

ব্রেক্সিট চুক্তি: আলোচনায় আগ্রহ নেই যুক্তরাজ্যের

11

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ইইউর সঙ্গে আর আলোচনায় বসতে চায় না তারা। কারণ যতক্ষণ না ইইউ নেতারা একটি অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি শর্তগুলোর বিষয়ে বিশদ আলোচনা করতে সম্মত হচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত নতুন করে কোনো বৈঠকে বসার মানে হয় না।

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের পক্ষের প্রধান আলোচক লর্ড ফ্রস্ট বলেছেন, তিনি ইইউর প্রধান আলোচক মিশেল বার্নিয়েকে জানিয়ে দিয়েছেন যে সোমবারের পূর্বপরিকল্পিত বৈঠকে বসার কোনো যুক্তি তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। ২০১৬ সালের ২৩ জুন ব্রেক্সিট নিয়ে যুক্তরাজ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৫২ শতাংশ ব্রিটিশ ভোটার ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। কিন্তু সেই বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি। কবে ও কীভাবে ব্রিটেন ইইউর সদস্যপদ ত্যাগ করবে, ব্রেক্সিট হয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাণিজ্যের স্বরূপ কেমন হবে- এগুলো নিয়ে অন্তহীন আলোচনা চলতে থাকে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও হয়েছে একাধিকবার। শেষ পর্যন্ত চলতি বছরের শুরুর দিকে ইইউ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় ব্রিটেন। তবে সেই অচলাবস্থার রেশ কাটেনি এখনো।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার রূপান্তরকাল। এ সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্যিক হিস্যা নিয়ে দুই পক্ষ কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে না পারলে শেষ পর্যন্ত চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের পথেই হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে। সম্প্রতি টুইটারে এক বার্তায় ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন জানান, ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে আলোচনায় গতি আনতে শিগগিরই ব্রাসেলসের একটি আলোচক দল লন্ডনে যাবে।