hasina

এসএমই খাতে ঋণ বিতরণের তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের

10

করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্থ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) সরকারের ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ দ্রম্নত বিতরণ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সময়ে এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে নির্দেশাবলি পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি ক?রা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই প্রজ্ঞাপনে সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণকে অধিকতর উৎসাহিত করতে চারটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক পুনঃঅর্থায়ন প্রাপ্তির বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণোদনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কতিপয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘জামানতবিহীন ঋণ সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করছে না। এতে করে পুনঃঅর্থায়ন ঋণ বিতরণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিদ্যমান ‘কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য মফস্বলভিত্তিক শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম সংক্রান্ত নীতিমালায় বর্ণিত পুনঃঅর্থায়ন প্রদানের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণে ‘একক উদ্যোক্তা’ শব্দাবলি ব্যবহারের কারণে মালিকানার ধরনের অস্পষ্টতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিএমএসএমই খাতে ঋণ বা অর্থায়নের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে পূর্বের নীতিমালায় বর্ণিত ‘জামানতবিহীন ঋণ সংক্রান্ত নির্দেশনাসহ এ সংক্রান্ত আইনের অন্যান্য সকল নির্দেশনা পরিপালন করতে হবে। পাশাপাশি ‘কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য মফস্বলভিত্তিক শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নীতিমালায় বর্ণিত ‘একক উদ্যোক্তা শব্দাবলীর পরিবর্তে একক উদ্যোগ’ প্রতিস্থাপিত হবে।

উলেস্নখ্য, করোনা শুরুর পর থেকে অর্থনীতির ধাক্কা সামাল দিতে এসএমইা খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয। এক বছর মেয়াদি ঋণের সুদের হার ধরা হয় ৯ শতাংশ। এর মধ্যে সাড়ে ৪ শতাংশ পরিশোধ করবে ঋণ গ্রহীতা এবং সাড়ে ৪ শতাংশ সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে দেবে। এখন পর্যন্ত মাত্র ২০ শতাংশ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।