hasina

সেলিমপুত্র ইরফানের সহযোগী দিপু গ্রেপ্তার

19

সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টা মামলার আরেক আসামি এবি সিদ্দিক দিপুকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা জোনের ডিসি এইচ এম আজিমুল হক।

তিনি বলেন, ‘মামলাটির অন্যতম আসামি এবি সিদ্দিক দিপুকে রাত সাড়ে তিনটার দিকে টাঙ্গাইল শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিপুই নৌ-কর্মকর্তাকে বেশি আহত করে।

সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে টাঙ্গাইল শহর থেকে দিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। দিপু ওই মামলার দুই নম্বর আসামি। সেলিমপুত্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের অন্যতম সহযোগী দিপু। এছাড়া তিনি হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার।

উল্লেখ্য, রোববার রাতে কলাবাগানে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি। এরপর ওই গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে এসে ওই কর্মকর্তাকে মারধর করেন। নৌবাহিনী কর্মকর্তা নিজের পরিচয় দেয়ার পরও তাকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া সঙ্গে থাকা তার স্ত্রীকেও লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ উঠে।

এই ঘটনায় সোমবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খান। সেই মামলায় এর আগে গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগের এই মামলায় সাংসদের ছেলেসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। তাদের মধ্যে এবি সিদ্দিক দিপুর নামও আছে। এছাড়া মামলাটির অন্য তিন আসামি হলেন হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমান।

পরে সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারের দেবীদাস ঘাট লেন এলাকায় হাজী সেলিমের বাসায় অভিযান চালিয়ে ইরফানকে আটক করে র‌্যাব-১০। পরে তাকে ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন র‍্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর রাত একটার দিকে কারাগারে পাঠানো হয় সেলিমপুত্রকে।