ঝাল খাবারের ভালো ও খারাপ দিক

আমাদের দেশের রান্না বেশিরভাগই ঝাল খাবারে পরিপূর্ণ থাকে। অতিরিক্ত ঝালে চোখের পানি, নাক, জিহ্বায় সংবেদন এবং কানের লালভাব হয়। ঝাল খাবার খাওয়ার ভালো এবং খারাপ দিক আছে। জেনে নিন ঝাল খাবার খাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা।

ঝাল খাবার খাওয়ার সুবিধাসমূহ-

প্রদাহ হ্রাস করে: ঝালে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে। মাথাব্যথা, অটোইমিউন ডিজিজ, আর্থ্রাইটিস, বমি এবং বমিভাবের চিকিৎসায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি খাবারগুলো দুর্দান্ত কাজ করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে: ঝাল খাবার ক্যান্সার কোষের উপরে কাজ করে। এমনকি ক্যন্সার নির্মূল করতে বা তাদের বৃদ্ধিকে সীমাবদ্ধ করতে পারে। এটি ক্যান্সারের কোষগুলোর বৃদ্ধি রোধ করতে বা কমিয়ে দিতে পারে। যার ফলে ক্যান্সারের ক্রমবর্ধমানতা হ্রাস পায়।

রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে: ঝালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের বিভিন্ন রোগজনিত ভাইরাস দূর করে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে সহায়তা করে।

জীবনকাল বাড়িয়ে তুলতে পারে: হার্ভার্ড এবং চায়না জাতীয় কেন্দ্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের এক সমীক্ষা অনুসারে, ঝাল খাবার নিয়মিত খেলে মানুষের আয়ু দীর্ঘায়িত হয়।

বিপাকক্রিয়ার উন্নতি করে: ঝালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর উপস্থিতি শরীরের বিপাককে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যা ওজন কমানোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ঝাল খাবারের অসুবিধা: ব্যক্তি ভেদে ঝালের সহনশীলতার আলাদা আলাদা স্তর থাকে। ঝাল খাবার হজমের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ঝাল খাবারের স্বাদ নষ্ট করে ফেলতে পারে।