মিঠুনের ঝড়ো ব্যাটে বাংলাদেশের ২৭১

37

নিউজিল্যান্ডকে বড় রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। ছ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে হারলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। তামিমের এনে দেওয়া দারুণ শুরুর পর মিঠুনের ফিনিশিংয়েই ক্রাইস্টচার্চের মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক তামিমের পঞ্চাশতম পঞ্চাশের পর মিঠুনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পেয়েছে ৭ উইকেটে ২৭১ রানের বড় সংগ্রহ।

এই রান নিউজিল্যান্ডের যেকোনো বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে করা ২৮৮ রান। আজ ২৭১ রান করার পথে বড় অবদান মিঠুনের ৫৭ বলে ৭৩ রানের অপরাজিত ইনিংসের।

শুরুতে তামিম-সৌম্য জুটি এগিয়ে চলছিল অবিচলভাবে। কিন্তু খুব বেশি আক্রমণাত্মক হতে যাওয়ার মাশুল দেন সৌম্য। মিচেল স্যান্টনারের ঘূর্ণিবলে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে সঙ্গেই স্টাম্পড হন তিনি। যাওয়ার আগে ৪৬ বলে করেন ৩২ রান। তবে তামিম ৫০তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতেই খেলে যাচ্ছিলেন। তাকে সঙ্গ দিতে থাকেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ৩০.২ ওভারে নিশামের বলে মুশফিকুর রহিম সিঙ্গেল নিতে গেলে কপাল পোড়ে তামিমের। মূলত নিশামের অসাধারণ ফুট ওয়ার্কেই রান আউট হন তামিম। ফলে ১০৮ বলে ৭৮ রানে ফেরেন ওয়ানডে অধিনায়ক।

তামিম ইকবালের বিদায়ে ধীরগতি হয়ে পড়েছিল রানের চাকা। মুশফিকুর রহিম ও মিঠুন মিলে সচল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মুশফিকুর রহিম বিদায় নেন স্যান্টনারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে। মুশফিকুর রহিম ফিরেছেন ৩৪ রান করে।

এরপর ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন মিঠুন। মূলত তার অসাধারণ ব্যাটিংয়েই চ্যালেঞ্জিং স্কোর পেয়েছে সফরকারীরা। তুলে নেন ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরি। পাশাপাশি সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। তবে ৪৮তম ওভারে মেরে খেলতে গিয়েই ফিরেছেন রিয়াদ। ক্যাচ দিয়ে তিনি ফিরেছেন ১৬ রানে।

নতুন নামা মেহেদী হাসান এক ছয় মেরে ফিরেছেন তারপর। একই পরিণতি হতে যাচ্ছিল সাইফউদ্দিনেরও। কিন্তু উড়িয়ে মারার পর তার ক্যাচ হাতে নিয়েও রাখতে পারেননি ট্রেন্ট বোল্ট। শেষ বলে মিঠুনের বাউন্ডারিতেই কিউইদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। মিঠুন অপরাজিত ছিলেন ৭৩ রানে। তার ৫৭ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয়।