স্কুল বন্ধঃ টেলিভিশনের মাধ্যমে বিকল্প পাঠদান।

8

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ১৬ থেকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। গতকাল রবিবার স্থগিত করা হয়েছে আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার প্রাদুর্ভাব দীর্ঘমেয়াদি হলে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে শিক্ষাব্যবস্থা। তাই এ ক্ষতি মোকাবিলায় বিকল্প উপায় খুঁজছে সরকার।

এরই অংশ হিসেবে মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাসের পাঠদান নিয়মিত টেলিভিশনে প্রচার করা যায় কিনা, এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) কারিগরি পরিকল্পনা করার পরামর্শ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

গতকাল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি করোনা পরিস্থিতির আশঙ্কা থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখতে হবে। এ সময়ে লেখাপড়ার যে ক্ষতি হচ্ছে, তা বিকল্প উপায়ে অর্থাৎ আমরা টেলিভিশনে ক্লাসের পাঠদান প্রচার করতে পারি কিনা, সে বিষয়ে মাউশিকে একটি কারিগরি পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছে। কীভাবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীকে এ সুবিধায় আনা যায় সেটা আমরা ভাবছি, যাতে শিক্ষার্থীরা বাসায় বসেই টেলিভিশনে নিজ নিজ বিষয়ের ওপর অভিজ্ঞ শিক্ষকদের কাছ থেকে পাঠলাভ করতে পারে।’

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘এ টু আই’ প্রকল্পের কারিগরি সহায়তায় মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাসের পাঠদান প্রচারের পরিকল্পনা করছে মাউশি। এ জন্য একটি রুটিনও তৈরি করছে তারা, যাতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠদান সম্প্রচার করা যায়। দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের রেকর্ডকৃত পাঠদানই নিয়মিত সম্প্রচার করা হবে।