hasina

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের দাবি আমেরিকার

10

বিশ্বব্যাপী চলমান ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে অবশেষে করোনাভাইরাসের সফল প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়েছে বলে দাবি করেলেন আমেরিকার পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। ইতোমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে তা ইঁদুরের দেহে প্রয়োগ করে সাফল্য মিলেছে বলে জানান তারা। ২ সপ্তাহের মধ্যেই ওই প্রোটিন ইঁদুরের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পেরেছেও বলে জানান তারা।

পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিন বিভাগের গবেষকদের দাবি, ত্বকের ওপর আঙুলের ডগার মাপে বা একটা ছোট্ট ব্যান্ডেজের মাপের প্যাচে এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়। তারা জানান, এর আগে দীর্ঘদিন এসএআরএস ও এমইআরএস নিয়ে গবেষণা করায় তারা তাড়াতাড়িই করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলেতে পেরেছেন।

পিটসবার্গ স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক আন্দ্রিয়া গ্যামবোটো বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘ চরিত্রগত দিক থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাসের সঙ্গে সার্স এবং মার্স ভাইরাসের অনেক মিল রয়েছে। ওই দুটো ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আমরা জানতে পেরেছি স্পাইক নামে একটি প্রোটিনের কথা যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

একটি জার্নালে এই গবেষণা নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাধারণ ফ্লুয়ের প্রতিষেধক তৈরি করতে যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রেও সেই পদ্ধতিই নেয়া হয়েছে। সাধারণ ফ্লুয়ের প্রতিষেধক তৈরির ক্ষেত্রে গবেষণাগারে তৈরি প্রোটিনের ব্যাবহার করা হয়।

গবেষকদের দাবি, তাঁরা ইঁদুরের দেহে ওই প্রোটিন প্রয়োগ করে দেখেছেন ২ সপ্তাহের মধ্যে ইঁদুরের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। আর কিছু দিনের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে মানব দেহে এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করে দেখা হবে। ইতিমধ্যেই ইউনাইটেড স্টেট ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে অনুমোদন চেয়ে গবেষকরা আবেদন করেছেন।