করোনায় আটকে গেল এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্সের আইপিও আবেদন

18

করোনাভাইরাসের কারণে তারিখ নিশ্চিত নয় পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণের তারিখ। পিছিয়ে কবে তারিখ হবে সেটা ও অনিশ্চিত এখনও। এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স সচিব লিয়াকত আলী খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিমা কোম্পানিটির আইপিওতে আগামী ১৩ এপ্রিল আবেদন গ্রহণ শুরু করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে করোনাভাইরাস ইন্সুইরেন্স দেশের শেয়ারবাজার এরই মধ্যে দুই দফায় বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যে কারণে আগামী ১৩ এপ্রিল এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স আইপিও আবেদন আবেদন গ্রহণ শুরু করা সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স সচিব লিয়াকত আলী খান বলেন, আইপিওতে আবেদন কার্যক্রম করা হয় ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে। যেসব প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে ১৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাতে স্বাভাবিকভাবেই ১৩ এপ্রিল এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, সরকারি অফিস খোলার পর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে এক্সপ্রেস ইন্সুইরেন্স আইপিওতে আবেদনের বিষয়ে আলোচনা করব। কমিশন এ বিষয়ে যে পরামর্শ দেবে, তার আলোকেই পরবর্তীতে কাজ করা হবে। এক্ষেত্রে আইপিওতে আবেদন পেছাতে পারে, প্রয়োজনে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে স্থগিত হতে পারে।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ৭১৯তম সভায় কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে দুই কোটি ৬০ লাখ ৭৯ হাজার সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২৬ কোটি সাত লাখ ৯০ হাজার টাকা উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ট্রেজারি বন্ড ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, আইআইডিএফসি ক্যাপিটাল এবং বিএলআই ক্যাপিটাল লিমিটেড।