hasina

ফের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা, সীমান্তে সতর্কবার্তা

8

মিয়ানমার থেকে আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে কয়েকশ’ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের। রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার রাতে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সুলতান আহমদ বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থার পক্ষে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। জানানো হয়, বেশকিছু রোহিঙ্গা মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ চেষ্টা চালাতে পারে। খবর পেয়ে তিনিসহ কয়েকজন রাত ১১টার দিকে সীমান্তের পাইশাখালী এলাকায় অবস্থান নেন। তখন সীমান্তের ওপারে প্যারাবনের ভেতরে মানুষজনের গুঞ্জন শোনা যায়। এতে কিছুটা হলেও সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এলাকাবাসী জানতে পেরেছেন, একটি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দল এসব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে খবর পাওয়ার পর এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সবাই। রাতেই এলাকার কয়েকটি স্থান থেকে মাইকিং করে স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করা হয়েছে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের জন্য জড়ো করা রোহিঙ্গাদের মধ্যে অনেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলেও খবর বেরিয়েছে। বলা হচ্ছে, রাখাইন রাজ্যে চিকিৎসার তেমন ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসার জন্য রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) রোহিঙ্গাদের কোনো ধরনের বাধাও দিচ্ছে না। এতে বাংলাদেশ সীমান্তের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পালংখালী ইউপির চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আঞ্জুমানপাড়ার মেধীর খাল নামক সীমান্ত দিয়ে কয়েকশ’ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। এ বিষয়ে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) লোকজনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তারা সতর্ক অবস্থানে আছেন। অবৈধভাবে কোনো রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে অনেকে করোনায় আক্রান্ত থাকতে পারে জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, এদের চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।