ত্রান বিতরণের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি বিএনপির

6

সারাদেশে চাল চুরির খবর পাওয়া গেছে। তাই বিএনপি আবারো দাবি করছে, অবিলম্বে ত্রাণের চাল

বিতরণের দায়িত্ব সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে দ্রম্নততার সঙ্গে ত্রাণের চাল বিতরণ করুন। তাতে হয়তো হতদরিদ্র, বেকার শ্রমিকরা উপকৃত হবে এবং জনগণের মধ্যে স্বস্তি আসবে।

এ সময় বিভিন্ন জেলায় ত্রাণসামগ্রী চুরির একটি তালিকাও তুলে ধরেন রিজভী।

করোনা পরিস্থিতিতে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে রিজভী বলেন, দলীয়ভাবেও সারাদেশে সাধ্যমতো জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা চলছে। এটাই দলের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশ। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও তাদের সাধ্যমতো জনগণের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। এছাড়া ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন গত শুক্রবার থেকে দেশের ৮৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে।

রিজভী বলেন, বিএনপির স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের সহায়তায় হাত বাড়ানোর সময়। সকল ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বিদু্যৎ খাতে সরকারের উন্নয়ন সফলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, সরকার বলে দেশের অনেক উন্নয়ন করেছে, বিদু্যতের উন্নয়নে দেশ নাকি আলোয় ঝলমল করছে। অথচ এই করোনা দুর্যোগে বিদু্যতের অভাবে করোনার কীট উৎপাদন করতে পারছে না গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

কর্তব্যরত চিকিৎসক-নার্সদের হোটেলগুলোতে থাকার দাবি জানিয়ে রিজভী আহমেদ বলেন, যেভাবে হু হু করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই ডাক্তারদের সাথে বিতন্ডা পরিহার করে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতাল, বেড, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী নিশ্চিত করতে হবে। সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ডাক্তার-নার্সরা মানবতার পক্ষে কাজ করছেন। তারা হাসপাতালে যে ডিউটি দেন, সেই ডিউটি শেষ করে তারা যাতে কোথায় থাকার জায়গা পাণ তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের বড় বড় যে হোটেলগুলো আছে সেই হোটেলগুলোতে যদি তাদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয় তাহলে সেখানে তারা প্রয়োজনীয় যেসব পোশাক পরেন তা জীবাণুনাশক করে কাজে যেতে পারেন। ওই পোশক নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসলে নানাভাবে সংক্রমিত হতে পারে। বিভিন্ন হোটেলগুলোতে ডাক্তার-নার্সদের থাকার ব্যবস্থা করা দরকার এবং অন্য হোটেলগুলোতে কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা নেয়া সরকারের উচিত।