ডিএসই কে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে ডিবিএ

13

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে এর শেয়ারহোল্ডারদের (সদস্য) সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ)। শেয়ার কেনাবেচার জন্য নতুন লাইসেন্স বা ট্রেক ইস্যুর বিষয় নিয়ে মতবিরোধের প্রেক্ষিতে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি কিছু নতুন ট্রেক ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর প্রেক্ষিতে স্টেকহোল্ডারদের কাছে মতামত চায় বিএসইসি।ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ এই প্রস্তাবের ব্যাপারে অনাপত্তি দিলে তাতে ক্ষুব্ধ হয় ডিবিএ।

ট্রেক ইস্যুর প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ায় ডিবিএ রোববার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্য ও কোম্পানি সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে।ডিবিএর সভাপতি শরীফ আনোয়ার হোসেনের পক্ষে সুপ্রীমকোর্টর আইনজীবী আহসানুল করিম এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে,পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি নতুন ট্রেক (ট্রেডিং রাইটস এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) ইস্যুর জন্য ‘বেআইনিভাবে’যে খসড়া বিধিমালা বা রুলস করেছে ডিএসইর বেশির ভাগ সদস্যের মতামত ছাড়াই তাতে অনাপত্তি দিয়েছে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ।অথচ এ সিদ্ধান্তটি ডিএসইর সদস্যদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সরাসরি স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়।

নোটিশে আরও বলা হয়,বিএসইসির চেয়ার‍ম্যানসহ অন্যান্যরা তাদের মেয়াদপূর্তির আগে পছন্দের লোককে সুবিধা দিতে তড়িঘড়ি করে বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে নতুন ট্রেক ইস্যুর উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তাতে সহযোগিতা দিচ্ছে ডিএসইর পর্ষদ। যদিও স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ বা ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী, নতুন ট্রেক ইস্যুর বিধি প্রণয়ন থেকে শুরু করে প্রাক যোগ্যতা নির্ধারণের কথা স্টক এক্সচেঞ্জের। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেই বিধি অনুমোদন করবে। অথচ এখন ঘটছে উল্টোটি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সবকিছু ঠিক করে দিচ্ছে। এতে করে ডিএসইর সদস্যদের ব্যবসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ডিবিএর সদস্যরা।