অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও মানুষকে রক্ষার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।

7

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স অনু‌ষ্ঠিত হ‌চ্ছে।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে সুরক্ষা নিশ্চিত করে কলকারখানা চালু রাখা যাবে। করোনা সন্দেহ হলে পরীক্ষা করাতে হবে। অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও মানুষকে রক্ষার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, আগের থেকে ব্যবস্থা নেয়ায় অন্যান্য দেশের তুলনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশবাসীকেও এবিষয়ে সাহায্য সরকারকে করতে হবে। তাই সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে যাতায়ার বন্ধ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম কিন্তু করোনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার কারণে কিছুটা ধাক্কা আমাদের দেশে আসে আসে। এজন্য আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন এবং ২৬ মার্চের অনুষ্ঠান বাতিল করি। জনসমাগম বাদ দিতে এসব করেছি আমরা।

শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলাসহ বেশ কয়েকটি জেলায সব থেকে বেশি আক্রান্ত। অন্যান্য জেলায়ও কিছু আছে কিন্তু ঢাকা এবং এর আশপাশে ভাইরাস কেন এত বেশি হলো। এটি নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করতে চাই। এ রোগে এ পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি আমি। যারা এখন চিকিৎসারত আছেন তারাও দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক, এটাই আমি চাই।