লকডাউনের মধ্যেই পোশাক কারখানা চালু থাকবে: বিকেএমইএ

6

সারাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের তীব্রতা বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রানের সংখ্যা। তারপরও অর্থনীতির চাকা সচল করার জন্যই দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে পোশাক কারখানা খুলছে বলে জানান বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

সোমবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় বিকেএমইএ’র প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কারখানার আশপাশে থাকা শ্রমিকদের নিয়ে এখন সীমিতভাবে চালু হচ্ছে। দুই মে থেকে পর্যায়ক্রমে সব কারখানা চালু করা হবে। এ পর্যন্ত তাদের ১৫৮টি ফ্যাক্টরি খোলা হয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ হাতেম।

তিনি বলেন, জীবন-জীবিকার সন্ধানে আমাদের নামতে হবে। করোনা ভাইরাসের কারনে স্থবির হয়ে যাওয়া অর্থনীতির চাকা আবারও সচল করতে হবে। এমনই অবস্থার প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে গতকাল ২৬শে এপ্রিল থেকে নিটওয়ার সেক্টরের নিটিং, ডায়িং ও স্যাম্পল ইউনিট বিকেএমইএর পক্ষ থেকে খুলে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। ২রা মে থেকে গার্মেন্ট শাখাও খোলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তবে জরুরি প্রয়োজনে গতকাল থেকেই অল্প পরিসরে গার্মেন্ট শাখা খোলা যাবে বলেও পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিকেএমইএর ৮৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৪টি ফ্যাক্টরি স্বল্প পরিসরে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

গতকাল সোমবার আরো ৫৪টি ফ্যাক্টরি খুলেছে জানিয়ে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি পর্যায়ক্রমে খুললেও এই মুহূর্তে দূর দুরন্ত থেকে শ্রমিক ভাই-বোনদের কর্মস্থলে না ফেরার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি যেমন ফ্যাক্টরিতে ঢোকার সময় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, ব্লিচিং মিশ্রিত পানিতে জুতা ভিজিয়ে প্রবেশ করা। থার্মাল স্ক্যান দিয়ে টেমপারেচার চেক করা। মাস্ক ব্যবহার করা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্ম পরিচালনা করা- এগুলো যতটুকু আমাদের পক্ষে সম্ভব আমরা গ্রহণ করেছি।