দেশের একদল তরুণ গবেষক ভেন্টিলেটর তৈরিতে সফল হয়েছেন

7

দেশে প্রতিদিন নোবেল করোনা রোগির সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রীর। সারাবিশ্বেই ঘাটতি রয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জামের।
করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় সারা বিশ্বেই এখন ভেন্টিলেটরের ব্যাপক চাহিদা কিন্তু সেই অনুপাতে যোগান অনেক সীমিত। সারা বিশ্বে লকডাউন চলাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন এবং আমদানিতেও রয়েছে অনেক জটিলতা। অন্যদিকে ভেন্টিলেটর ব্যয়বহুল হওয়ায় মহামারিতে চাহিদা অনুযায়ী যোগান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বল্প উন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোর।

এমন পরিস্থিতিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একদল তরুণ গবেষক স্বল্প খরচের ভেন্টিলেটর তৈরিতে সফল হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির রোবটিক্সের প্রকল্প পরিচালক মো. হাফিজুল ইমরান জানান, এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে ড্যাফোডিল রোবটিক্স ল্যাব থেকে স্বল্প খরচের ভেন্টিলেটর প্রজেক্টের কাজ শুরু করা হয়। এই প্রজেক্টে আরো রয়েছেন রোবটিক্স ল্যাবের ২জন সদস্য জিয়াউল হক জিম এবং রনি সাহা। সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০ দিন পর সফলভাবে প্রজেক্টটি সম্পন্ন হয়েছে। ভেন্টিলেটরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিঃশ্বাস’।

গবেষকরা জানান, একজন আইসিইউ রোগী প্রতি মিনিটে কতবার শ্বাস প্রশ্বাস নিবে এবং তার ভলিউম কতটুকু হবে সবই সেট করা যাবে এই স্বল্প খরচের ভেন্টিলেটরে। করোনা মহামারি মোকাবেলায় দেশের বড় বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরগুলোতেও আইসিইউ সাপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে এই ভেন্টিলেটর। করোনা চিকিৎসা ছাড়াও যেসব হাসপাতালে আইসিইউ/রেস্পিরেটরি সাপোর্ট নেই সেখানে কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে এই ভেন্টিলেটরটি।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী সপ্তাহেই ভেন্টিলেটরটির ক্লিনিক্যাল টেস্ট শুরু হবে। ক্লিনিক্যাল টেস্টে সফল হলে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হবে বলে জানান এই প্রজেক্টের প্রধান মো. হাফিজুল ইমরান।