hasina

করোনা রুগীকে দেখভাল করছে রোবট

9

রোবট খাবার সরবরাহ করছে আর ক্যামেরা দেখছে কোয়ারিন্টিনে থাকা ব্যক্তিটি নিয়ম মেনে থাকছে কিনা। এভাবেই চীনে মানুষের কোয়ারিন্টিন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে অন্য মানুষের আসা যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। দেশটিতে করোনাভাইরাস ব্যাপক আকার ধারণ করলে সরকার নিয়ম-কানুন মানার ব্যাপারে কঠোরতা আরোপ করে। বর্তমানে চীনে করোনা সংক্রমণের হার কমে আসলেও বিদেশ থেকে যারা আসছেন তাদের মাধ্যমে কিছুটা ছড়াচ্ছে। তাই যারা বিদেশ থেকে আসবেন তাদের হয় বাসায় কিংবা হোটেলে ১৪ দিন কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে। কিন্তু এ বিপুল সংখ্যক মানুষ নিয়ম মানছে কিনা তা একজন একজন করে মনিটরিং অনেক কঠিন বিষয়। সেই দায়িত্বই এখন তুলে দেয়া হয়েছে রোবট ও ক্যামেরার হাতে। কেউ যাতে কোয়ারিন্টিনের নিয়ম ভঙ্গ না করে এ জন্য বেইজিংয়ে হোটেলের প্রতিটি কক্ষের দরজায় ক্যামেরা লাগানো আছে। হোটেলের প্রতি তলায় একজন করে ব্যক্তি দায়িত্বে আছেন যিনি সার্বিক মনিটরিং করছেন। আর রোবটের দায়িত্ব হচ্ছে সবার খাবার সরবরাহ করা। তিন ফুট লম্বা এই রোবট হোটেল অতথিদের পানি, খাবার ও বিভিন্ন প্যাকেজ সরবরাহ করছে। রোবটি দরজায় গিয়ে ল্যান্ডলাইনে ফোনে বলে, ‘হ্যালো, এটি আপনার সার্ভিস রোবট, আপনার অর্ডার চলে এসেছে।’এর পাশাপাশি ডাক্তারও এসে সবার দেহের তাপমাত্রা যাচাই করছেন এবং কোন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা তা জেনে নিচ্ছেন। অন্যদিকে বাসায় যারা কোয়ারিন্টিন পালন করছেন তাদের প্রত্যেকের বাসার দরজায় ইলেকট্রনিক এলার্ম লাগানো আছে। বের হলেই তা আওয়াজ করবে এবং প্রতিবেশী জেনে যাবে। আর প্রতিবেশীর উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দেয়া আছে কোয়ারিন্টিন ব্যক্তি বের হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিতে হবে। বের হওয়ার প্রয়োজন হলে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের আগে জানাতে হবে। বেইজিংয়ে কোয়ারিন্টিন করেন জার্মান সাংবাদিক ফ্রেডরিক বয়েজে। দেশে ফেরার পর বলেন, ‘তিনি যে ভবনে ছিলেন তার কক্ষের দরজায় একটি ক্যামেরা লাগানো ছিল। এটি মেনে নেয়া ছিল কষ্টকর।’ জাপান টাইমস