করোনায় স্মার্টফোনের চাহিদা কমেছে

14

করোনারভাইরাসের কারণে থমকে আছে সারাবিশ্ব। দেশেদেশে চলছে লক ডাউন। এর প্রভাব পড়েছে সব ধরনের কেনাকাটায়, বিশেষকরে স্মার্টফোনের চাহিদায়।
করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এ বছরের প্রথম তিন মাসে স্মার্টফোনের বিক্রি কমেছে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠানগুলো। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ ও ক্যানালিস নামে দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের গবেষণায় দেখিয়েছে, বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বাজার হারিয়েছে অন্তত ১৩ শতাংশ।

ভার্জ জানায়, ২০১৪ সালের পর এই প্রথম ৩০ কোটির নিচে ফোন শিপমেন্ট হলো। তবে এরপরও স্যামসাং, হুয়াওয়ে ও অ্যাপল শীর্ষ বিক্রেতা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। তুলনামূলক সবচেয়ে কম ক্ষতি হয়েছে অ্যাপলের। এরপর চতুর্থ স্থানে রয়েছে শাওমি। ক্যানালিসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মি. স্ট্যানটন বলেন, ‘নতুন ডিভাইসের চাহিদা একেবারেই কমে গেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে চীনে যখন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তখন প্রতিষ্ঠানগুলো মনোযোগ দিয়েছিল কীভাবে ফোনের উৎপাদন বাড়িয়ে বৈশ্বিক চাহিদা মেটানো যায়। কিন্তু মার্চে এসে পরিস্থিতি পাল্টে গেলো। স্মার্টফোনের উৎপাদন আবারও শুরু হলেও বৈশ্বিক লকডাউনের কারণে বিশ্বব্যাপী বিক্রি কমে গেছে।’

কাউন্টার পয়েন্টের সহযোগী পরিচালক তরুণ পাঠক বলেন, ‘ক্রেতাদের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে দেখা যায়, মূলত ফোন নষ্ট বা ভেঙে না গেলে ক্রেতারা সাধারণত নতুন ফোন কেনেন না। বর্তমানে ক্রেতারা এমন অনেক কিছুই কেনা থেকে বিরত থাকছেন। ফলে নতুন স্মার্টফোন ক্রয়ের এই সাইকেলটি দীর্ঘায়িত হয়েছে। তবে মহামারির প্রকৃত ফল আসার এখনও বাকি।’ স্ট্যানটন বলেন, ‘বেশিরভাগ স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠানই ধারণা করছে, করোনার প্রভাব পরবর্তী তিন মাসে সবচেয়ে বেশি হবে। এখন আসলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সাহসের পরিচয় দিতে হচ্ছে।