hasina

পাবনার প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মানবেতর জীবন

8

পাবনা: সারা পৃথিবীতে কোভিড-১৯ এর আক্রমনে মানষ আজ দিশেহারা। তেমনি ভাবে বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে এতো সমস্যার মধ্যদিয়েও বাংলাদেশ সরকার দেশের অসহায় মানুষের পাশে যথাসময়ে যথাযথভাবে দাঁড়িয়েছেন। বিভিন্ন ভাবে প্রায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা করছেন।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে প্রাইভেট স্কুল গুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা তরান্বিত করার জন্য কোমলমতি শিার্থীদের সব সময় শিক্ষা দিয়ে আসছেন। সেই শিক্ষকরাই মানবেতর জীবন যাপন করছে। খোঁজ নেওয়ার মতো আজ কেউ নাই। শুধুমাত্র ছাত্র-ছাত্রীদের বেতনের উপরই এই সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্ভরশীল। প্রাইভেট স্কুলের মোটা অংকের টাকা ব্যায় করতে হয় বাড়ি ভাড়া ও শিক্ষকদের বেতনের জন্য। স্কুল বন্ধ হওয়ায় তাদের সমস্ত আয়ের উৎসও বন্ধ হয়ে আছে । অনেক শিক্ষকই পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পারছে না। বাসাভাড়া পারিবারিক আর্থিক খরচ যোগান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে ২০২০) সকাল ১১ টায় পাবনা প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশনের সদর হাসপাতাল রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরী সভায় এমন কথা গুলোই জানালেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

সভা থেকে জানা যায়, পাবনা জেলায় বর্তমানে চারশতাধিক প্রাইভেট স্কুলে ছয় হাজারের ও অধিক শিক্ষক-কর্মচারী শিক্ষাদানে নিয়োজিত আছেন। যাদের প্রায় সবাই অসহায় অবস্থায় আছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে সাংসারিক খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার কারনে কারো কাছে কিছু চাইতেও পারে না বলে জানান। তারা আরো জানায়, আমাদের প্রাইভেট স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষক কর্মচারীই শহরাঞ্চলে বাসা ভাড়ায় থাকেন। স্কুল বন্ধ হওয়ায় সংসার চালাতে পারছে না আবার সেই সাথে বাসা ভাড়া কোথায় থেকে দিবে এমনটাই বললেন এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রনোদনার জন্য পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্বারকলিপি দিয়েছেন। যেখানে নিজেদের আর্থিক সঙ্কটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জরুরী সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি ইকরামুল হক, মঞ্জিল হক, সাধারণ সম্পাদক এম.এম মাহফুজুর রহমান, সহ-সম্পাদক ইমান আলী, সাংগঠসিক সম্পাদক জেবুন্নেছা ববিন, শিক্ষা সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ পাবনার সকল উপজেলা থেকে আগত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ।

সরকারের উধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি দেখে বিবেচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশনের সকল কর্মকর্তাদের আর্থিক প্রনোদনাসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার আহবান জানান।