hasina

ঈদের আগে খুলছে না পুঁজিবাজার!

16

করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির আওতায় পুঁজিবাজার বন্ধ রয়েছে। কয়েকদফা ছুটি বাড়িয়ে আগামী ১৬ মে খোলার কথা। এ পরিস্থিতিতেও সীমিত পরিসতে পুঁজিবাজারের লেনদেন চালু করতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এ জন্য বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি’র কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তবে বিএসইসিতে তিনটি কমিশনার পদ ফাঁকা থাকায় কোরাম সংকটের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।

এদিকে পুঁজিবাজারকে অপরিহার্য সেবার (অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস) আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা বিএসইসির হাতে নেই। সেটা কেবল প্রধানমন্ত্রীই অনুমতি দিতে পারেন। ফলে সার্বিক দিক বেচনায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আগে ডিএসই’র লেনদেন চালু করা দাবিটিও ঝুলে যাচ্ছে। আবার অন্যভাবে বললে ঈদের আগে পুঁজিবাজার খোলার সম্ভবনা নাই বললেই চলে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক বলেন, ডিএসই’র আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে বিএসইসি। তবে কিছু বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার বিএসইসি’র হাতে নেই। এ বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কাজ করছেন।

জানা গেছে, ডিএসই লেনদেন চালু করতে বিভিন্ন বিষয় থেকে অব্যাহতি চেয়েছে, যা কমিশন সভার মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে বিএসইসি কমিশনারদের কোরাম সংকটে থাকায় কমিশন সভা করা সম্ভব হবে না। যাতে স্বাভাবিকভাবেই ডিএসইর আবেদন রক্ষা সম্ভব হবে না।

বিএসইসি ৪ কমিশনার ও ১জন চেয়ারম্যান নিয়ে গঠিত। এ ৫ জনের মধ্যে বর্তমানে কমিশনে রয়েছেন একজন চেয়ারম্যান ও একজন কমিশনার। কিন্তু কোরাম পূর্ণ করতে লাগে ৩ জন। ফলে কমিশন সভা অসম্ভব।

এছাড়া কমিশনের পাশাপাশি ডিএসইরও লেনদেন চালুর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত লেনদেন চালুর বিষয়ে ট্রেকহোল্ডারদের মতামত নেয়নি।
আবার, সাধারণত ছুটি আরও বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় ঈদের আগে বাজারে লেনদেন হচ্ছে না,এটা প্রায় নিশ্চিত।

৩ মে দুপুরে ১০ মে লেনদেন চালুর সম্মতি চেয়ে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বরাবর চিঠি দিয়েছেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সানাউল হক। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল লেনদেন চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ।