বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ১৬ বাজেট প্রস্তাব

2

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ
আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ, মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ, লভ্যাংশ আয়ের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ, সরকারিভাবে শেয়ার ক্রয়ে প্রণোদনাসহ ১৬টি বাজেট প্রস্তাব জানিয়েছে

সোমবার (১৮ মে) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক।

পুঁজিবাজারে বাস্তবভিত্তিক দৃশ্যমান উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা, আস্থা ও বিশ্বাস যোগ্যতা, আন্তর্জাতিকমানে উন্নীতকরণ এবং অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পুঁজিবাজারে মহামারি করোনাভাইরাসজনিত ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার নিমিত্তে নূন্যতম আগামী পাঁচ বছরের জন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে নিঃস্বার্থভাবে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া। চলমান করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতি পূরণের জন্য মার্জিন অ‌্যাকাউন্টের সুদ চলতি বছরের মার্চ থেকে ডিসেম্বর মওকুফের সুযোগ দেয়। এছাড়া চলতি বছরের বিও অ‌্যাকাউন্টের চার্য মওকুফ করতে হবে। আর আগামী ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত মার্জিন অ‌্যাকাউন্টের সুদ সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ নির্ধারণ৷ নূন্যতম ৫ লাখ টাক পর্যন্ত সব প্রকার ডিভিডেন্ট আয়ের ওপর সব ধরনের ভ্যাট, ট্যাক্স মওকুফ ও অতিদ্রুত বাইব্যাক কোম্পানি আইন বাস্তবায়নের দবি জানানো হয়ছে।

এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, তারল্য সংকট দূর করার জন্য প্রচলিত মার্জিন ঋণ প্রদান সুবিধা আগামী তিন বছরের জন্য নূন্যতম ১:১ করার দাবি। সব ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট, মিউচুয়াল ফান্ডকে নিজ উদ্যোগে এফডিআর, এসটিআর, এলটিআর বা প্রচলিত ডিপোজিট সংগ্রহের অনুমতি প্রদান করা। ঢাকাসহ দেশব্যাপী অধিক হারে ব্রোকারেজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের শাখা খোলার অনুমতি। পুঁজিবাজারের পরিধি আরও অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি ও সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছি দিতে নামমাত্র মূল্যে ব্রোকারেজ হাউজের ট্রেক বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত প্রদান। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রচলিত ট্যাক্স নূন্যতম আগামী তিন বছরের জন্য বর্তমান ট্যাক্স রেট থেকে নূন্যতম ৫ শতাংশ কমানোর দাবি। তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর জন্য সরকারিভাবে শেয়ার ক্রয়ের জন্য নূন্যতম ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্রদান। সরকার ঘোষিত প্রত্যেক ব্যাংকে পুঁজিবাজারে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগসীমা বৃদ্ধি করে নূন্যতম ৫০০ কোটি টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।