করোনা: ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত সর্বোচ্চ ২৫২৩, মৃত্যু ২৩

2

পরীক্ষা না বাড়লেও দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত রোগী ২০০০ ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৯জনের দেহে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ৪০ হাজার। অন্যদিকে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আরো ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৯ জনে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, ৪৯টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৯ হাজার ২৬৭টি। আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ৩১০টি।

পরীক্ষা করা নমুনার মধ্যে ২ হাজার ২৯ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৩২১ জনে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫০০ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৫ জন।
ডা. নাসিমা সুলাতান বলেন, মৃত্যুর বিশ্লেষণে পুরুষ ১১ জন এবং নারী চারজন। বিভাগ বিশ্লেষণে ঢাকায় সাতজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে আটজন। বয়স বিশ্লেষণে ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২৪৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪ হাজার ৯৮৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৩৮ জন। এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৬৩৮ জন। সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৩ হাজার ২৮৪টি। প্রস্তুত করা হচ্ছে আরও ৭০০ শয্যা। ঢাকার ভেতরে রয়েছে সাত হাজার ২৫০টি। ঢাকা সিটির বাইরে ছয় হাজার ৩৪টি শয্যা আছে। আইসিইউ সংখ্যা আছে ৩৯৯টি, ডায়ালাসিস ইউনিট আছে ১০৬টি। ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪০০১ জন। ছাড় পেয়েছেন ২৪০৪ জন। মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৮১২ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৮ হাজার ২৯৩ জন। মোট কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ২ লাখ ৭৫ হাজার ১০৫ জন। প্রসঙ্গত, গত ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। শুরুর দিকে রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও এখন সংক্রমণ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ লাখ ৩ হাজার ৭৮৫ জন। অন্যদিকে সুস্থ হয়েছেন ২৫ লাখ ৮ হাজার ৯৪৪ জন