তিন জেলায় বজ্রপাতে নিহত ৯

0

সারাদেশে দিনের বিভিন্ন সময় থেমে থেমে বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত হয়েছে। বজ্রপাতে মারা গেছেন কৃষকসহ বিভিন্ন পেশার ৯ জন মানুষ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে পাবনায় বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৪ জন।

এরা হলেন, আতাইকুলায় নুরুজ্জামান মোল্লা (১৯), সুজানগর দুলাইয়ের আব্দুল জলিল সরদার (৫০) ও  চাটমোহর হান্ডিয়ালের শরিফুল ইসলাম (২৫)।  নিহতরা সবাই মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় আহত হয়েছে আরও ৪জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্ব স্ব এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

বগুড়ায় বজ্রপাতে ৪ উপজেলায় ৪ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে কাছাকাছি সময়ে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় কাহালু, শাজাহানপুর, ধুনট ও সারিয়াকান্দি উপজেলায় এই চার জন প্রাণ হারান। দুপুরে পর থেকেই বগুড়ায় থেমে থেমে বজ্রসহ ভারি বৃষ্টিপাত দেখা গেছে।

স্থানীয় পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কাহালু উপজেলার এরুইল বাজারের পাশে কয়েকজন কৃষক ধান শুকাচ্ছিলেন। এসময় বজ্রপাতে ৩ জন আহত হন। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মোকলেছার রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুজন চিকিৎসাধীন।

প্রায় কাছাকাছি সময়ে শাজাহানপুর উপজেলার হরিণগাড়ী এলাকায় মাঠে কাজ করার সময় নুরুল ইসলাম নামের একজন কৃষক বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।

বিকেলে সারিয়াকান্দি উপজেলার কুড়ির চর এলাকায় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা গেছেন লেবু মণ্ডল নামের একজন কৃষক। ধুনট উপজেলায় বৃষ্টির সময় মাঠ থেকে গরুর ঘাস কেটে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সালাম সরকার নামে আরেকজন কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন।

এছাড়া কুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বজ্রপাতে দুইজন কৃষক নিহত হয়েছেন। গরু চড়াতে গিয়ে ফারুক মণ্ডল (৩০) ও মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে শফি মণ্ডল (৪৫) নামের আরও একজন কৃষক বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার আনুমানিক বিকাল ৩ টার সময় উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর পদ্মার চর এলাকায় হামিদুল মণ্ডলের ছেলে ফারুক মণ্ডল গরু চড়াচ্ছিল। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর সর্দারপাড়ার ময়জুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে শফি মণ্ডল মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়েছিল। বিষয়টি কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।