বাংলাদেশে করোনা টেস্ট প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম: ভারতীয় মিডিয়া

31

করোনাভাইরাস শনাক্তে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত টেস্ট না হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়। তাদের দাবি, বাংলাদেশে করোনা টেস্ট প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী দিনগুলোতে সংক্রমণ আরও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ২৯২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৪৩ জন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এর ১০ দিনের মাথায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন লাফিয়ে বাড়ায় বাংলাদেশে করোনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফলে নমুনা পরীক্ষার জন্য লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে।

‘কিন্তু যে সংখ্যক টেস্ট হওয়া উচিত সেই পরিকাঠামো এই মুহূর্তে সে দেশে নেই। যে কারণে রিপোর্ট পেতে অনেক বেশি সময় লাগছে। টেস্টের অপ্রতুল পরিকাঠামোর বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা’ বলা হয় প্রতিবেদনে।

পরিকাঠামো উন্নতির পাশাপাশি কভিড রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে আশ্বস্ত করেছেন তারা।

সংক্রমণ রুখতে আরও বেশি করে টেস্টের উপরে জোর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। কিন্তু ঘটনা হলো- বাংলাদেশে প্রতি ১০ লাখে টেস্টের সংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ২৪২ জন যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

বর্তমানে ভারতে প্রতিদিন দেড় লাখের বেশি করোনা টেস্ট হচ্ছে। এখন যে পরিস্থিতি তাতে প্রতিদিন বাংলাদেশে অন্তত ৫০ হাজার মানুষের টেস্ট হওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেখানে প্রতিদিন ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার মানুষের টেস্ট করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

এই সংখ্যা বাড়িয়ে ২৫ হাজারে নিয়ে যাওয়া সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রবীণ আমলা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

সূত্র: দেশ রূপান্তর