পাকিস্তান এয়ারলাইনস তাদের ১৫০ জন পাইলটকে নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে

13

পাকিস্তান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস (পিআইএ) তাদের ৪৩৪ জন পাইলটের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনকে নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে তাদের লাইসেন্স ও অন্যান্য সনদ ‘নকল’ বলে সন্দেহ হওয়ায় প্রতিষ্ঠাটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির এক মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত মাসে করাচিতে একটি বিমান দুর্ঘটনায় ৯৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে পাইলটদের বিরুদ্ধে পদ্ধতি অনুসরণ না করা অভিযোগ করা হয়। পরে সরকারের একজন মন্ত্রী জানান, বিমানের ভয়েস রেকর্ডার থেকে জানা গেছে, অবতরনের সময় পাইলটরা করোনভাইরাস নিয়ে আলাপ করছিলেন, ফলে তাদের মনোযোগ ব্যহত হয়েছিল। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সুরক্ষা ও পরিবহন সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে।

সংস্থাটির মুখপাত্র আবদুল্লাহ এইচ খান রয়টার্সকে বলেছেন, ‘সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত তদন্তে দেখা গেছে যে আমাদের প্রায় ১৫০ জন পাইলটকে সন্দেহজনক লাইসেন্স রয়েছে।’ তদন্তাধীন পাইলটদের সবাইকে সাসপেন্ড করা হবে বলে তিনি জানান।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা ভুয়া পাইলট লাইসেন্স সম্পর্কে পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনগুলি অনুসরণ করছি, যেগুলি বিমান নিয়ন্ত্রকের লাইসেন্সিং ও সুরক্ষা তদারকির ক্ষেত্রে একটি গুরুতর বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।’

এর একদিন আগে পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার খান বলেন, দেশের ৮৬০ পাইলটের মধ্যে ২৬২ পাইলটের সন্দেহজনক ফ্লাইং লাইসেন্স রয়েছে। অবিলম্বে তাদের নিষিদ্ধ করা হবে। ইসলামাবাদে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, এসব পাইলটদের লাইসেন্স সন্দেহজনক। কিছু পাইলটের কোনো প্রকার কাগজের উপস্থিতি নেই, কিন্তু তারা লাইসেন্স সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসব পাইলটদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো নোটিশ ও অভিযোগপত্র দেয়া হবে যাতে কোনো বিমান পরিচালনা করতে না পারে। মন্ত্রী আরও বলেন, ভুয়া লাইসেন্স নিয়ে পাইলটদের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে। সরকার কোনো নাগরিকের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারে না। সূত্র: রয়টার্স।পাকিস্তান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস (পিআইএ) তাদের ৪৩৪ জন পাইলটের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনকে নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে তাদের লাইসেন্স ও অন্যান্য সনদ ‘নকল’ বলে সন্দেহ হওয়ায় প্রতিষ্ঠাটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির এক মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন।

গত মাসে করাচিতে একটি বিমান দুর্ঘটনায় ৯৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে পাইলটদের বিরুদ্ধে পদ্ধতি অনুসরণ না করা অভিযোগ করা হয়। পরে সরকারের একজন মন্ত্রী জানান, বিমানের ভয়েস রেকর্ডার থেকে জানা গেছে, অবতরনের সময় পাইলটরা করোনভাইরাস নিয়ে আলাপ করছিলেন, ফলে তাদের মনোযোগ ব্যহত হয়েছিল। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সুরক্ষা ও পরিবহন সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে।

সংস্থাটির মুখপাত্র আবদুল্লাহ এইচ খান রয়টার্সকে বলেছেন, ‘সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত তদন্তে দেখা গেছে যে আমাদের প্রায় ১৫০ জন পাইলটকে সন্দেহজনক লাইসেন্স রয়েছে।’ তদন্তাধীন পাইলটদের সবাইকে সাসপেন্ড করা হবে বলে তিনি জানান।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা ভুয়া পাইলট লাইসেন্স সম্পর্কে পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনগুলি অনুসরণ করছি, যেগুলি বিমান নিয়ন্ত্রকের লাইসেন্সিং ও সুরক্ষা তদারকির ক্ষেত্রে একটি গুরুতর বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।’

এর একদিন আগে পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার খান বলেন, দেশের ৮৬০ পাইলটের মধ্যে ২৬২ পাইলটের সন্দেহজনক ফ্লাইং লাইসেন্স রয়েছে। অবিলম্বে তাদের নিষিদ্ধ করা হবে। ইসলামাবাদে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, এসব পাইলটদের লাইসেন্স সন্দেহজনক। কিছু পাইলটের কোনো প্রকার কাগজের উপস্থিতি নেই, কিন্তু তারা লাইসেন্স সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসব পাইলটদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো নোটিশ ও অভিযোগপত্র দেয়া হবে যাতে কোনো বিমান পরিচালনা করতে না পারে। মন্ত্রী আরও বলেন, ভুয়া লাইসেন্স নিয়ে পাইলটদের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করা হবে। সরকার কোনো নাগরিকের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারে না। সূত্র: রয়টার্স।