ব্ল্যাকউড বীরত্বে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

1

শেষদিকে নার্ভ ধরে রাখতে পারলেন না জার্মেইন ব্ল্যাকউড। নয়তো ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়তেন এই ব্যাটসম্যান। অবশ্য তাতেও ক্ষতি হয়নি তেমন। তার সেঞ্চুরিটাই মিস হয়েছে শুধু। ক্যারিয়ারে আরও কয়েকবার সেঞ্চুরির সামনে গিয়ে হতাশ হতে হয়েছিল এই ব্যাটসম্যানকে।

কিন্তু সেসবের তুলনায় সাউদাম্পটনের ৯৫ রানে সেঞ্চুরির স্বাদ-ই পাবেন তিনি। ব্ল্যাকউডের অসাধারণ ৯৫ রানের ইনিংসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাউদাম্পটন টেস্টে দাপুটে জয় তুলে নিল উইন্ডিজ। প্রায় চার দিনের হয়ে যাওয়া ম্যাচে ৪ উইকেটে জিতল তারা। সুবাদে তিন টেস্টের সিরিজে ১-০তে লিড নিয়ে নিল ক্যারিবিয়ানরা।

চার দিনের টেস্ট কি আনন্দ আর উত্তেজনা দিয়ে যেতে পারে তার প্রমাণ দিল সাউদাম্পটন টেস্ট। ইংল্যান্ড-উইন্ডিজ অনেকটাই লো স্কোরিং ম্যাচে দারুণ লড়াই দেখল বিশ্ব। তাতে শেষ ইনিংসে প্রায় ১০০ ওভারে ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতে গেল উইন্ডিজ।

ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের সেরা পারফরমার ছিলেন তিনজন। শুরুতে অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের ৬ উইকেট, মাঝে শেনন গ্যাবরিয়েলের ৫ উইকেট আর শেষে ব্ল্যাকউডের ৯৫ রান। এই তিনের কাছে বেন স্টোকস ইংল্যান্ডের হয়ে একা লড়ে পারলেন না দলকে জেতাতে। অলরাউন্ড পারফরম্যান্স সত্ত্বেও নেতৃত্বের প্রথম টেস্টটি হেরে যেতে হলো স্টোকসকে। উইন্ডিজের পক্ষে ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন শেনন গ্যাবরিয়েল।

ম্যাচ শেষে ইংলিশ অধিনায়ক স্টোকস জানান প্রথম ইনিংসেই তারা হেরে যান, ‘২০০ রানের টার্গেট দিয়েও আমাদের বিশ্বাস ছিল জিতব। বিশ্বাস না রাখলে এমন ম্যাচে জেতা কঠিন। কিন্তু আমরা আসলে প্রথম ইনিংসেই রান কম করে ফেলেছি। সেখানে ৩৫০ রান করলেও এখন ফলটা ভিন্ন হতো।’ এদিকে উইন্ডিজ অধিনায়ক বলছেন টেস্টের চতুর্থ দিন ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসের সময় তারা ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছেন, ‘আসলে বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হচ্ছে। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা সবাই দারুণ বল করেছি। যাকে যে সময় বোলিংয়ে এনেছি সেই দলের জন্য কিছু করেছে। এটা দারুণ। আমরা চতুর্থ দিনেই ম্যাচ জেতার পজিশন তৈরি করেছি।’

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড: ২০৪ ও ৩১৩।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩১৮ ও ২০০/৬।

ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে জয়ী।