ব্যতিক্রম নাভানা সিএনজি

১৪

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) দীর্ঘ এক বছর পর ৬৬ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন দর সীমা) তুলে নিয়েছে। আজ আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। বিষয়টি ভালোভাবে নেয় পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রথম দিনেই ৬১টি কোম্পনির শেয়ারের দরে পতন হয়েছে। তবে ব্যতিক্রম ছিলো একমাত্র নাভানা সিএনজি। এই কোম্পানিটির দর বেড়েছে।

বুধবার লেনদেন শেষে প্রায় ১১০টি কোম্পানির সিকিউরিটিজ ফ্লোর প্রাইসে ছিল। তবে এরমধ্যে ৫০ টাকার নিচে অবস্থান করা ৬৬ কোম্পানি থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় কমিশন। যেগুলোর বাজার মূলধন ৫ শতাংশের কাছাকাছি।

যাতে ওইসব কোম্পানির দর পতন হলেও বাজারে প্রভাব পড়বে না বলে ধারনা করেছিল কমিশন। যার আলোকে কোম্পানিগুলো থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়। কিন্তু ওইসব কোম্পানির দর পতনে অন্যসব কোম্পানির উপরেও যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, সেটি কমিশন আমলে নেয়নি। যাতে আজ পুঁজিবাজারে বড় পতন হয়েছে।

দেখা গেছে, ৬৬টি কোম্পানির মধ্যে লেনদেন হওয়া ৬৩টির মধ্যে ৬১টির আজ দর পতন হয়েছে। আর নাভানা সিএনজির দর বেড়েছে ও আরএন স্পিনিংয়ের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাকি ৩ কোম্পানির শেয়ার রেকর্ড ডেট ও স্থগিতাদেশের কারনে লেনদেন হয়নি।

এরমধ্যে রেকর্ড ডেটের কারনে গোল্ডেন হার্ভেস্টের শেয়ার আজ লেনদেন বন্ধ ছিল। এছাড়া বিডি সার্ভিসের শেয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিক্রেতা না থাকায় লেনদেন হয় না এবং পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার লেনদেন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ করে রেখেছে স্টক এক্সচেঞ্জ।

বিএসইসি বড্ড অসময়ে ফ্লোর প্রাইস তুলে নিয়েছে বলে অনেকে সমালোচনা করছেন। বাজারে যখন লেনদেন ১৫০০-২০০০ কোটি হচ্ছিল এবং সূচকে তেজিভাব ছিল, ওইসময় ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করে নেওয়া যেত বলে অনেকে মনে করেন। আর এই মুহুর্তে তুলে নেওয়াটাকে খামখেয়ালি বলেই মনে করছেন অনেকে।