পাম অয়েল রফতানি কমছে ইন্দোনেশিয়ার

4

এ বছর কমতে পারে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানি। এর সঙ্গে শীর্ষ দেশটির উৎপাদনও কমার আশঙ্কা রয়েছে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো রফতানি ও উৎপাদন কমতে যাচ্ছে। দেশটির পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের (জিএপিকেআই) ভাইস প্রেসিডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।

দেশটিতে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে পাম অয়েল আবাদ। কমছে সারের ব্যবহার। এসব কারণে পাম অয়েল রফতানিতে ধস নেমেছে। ভবিষ্যতেও রফতানি কমার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জিএপিকেআইর ভাইস প্রেসিডেন্ট তোগার সিতাঙ্গাং এক ভার্চুয়াল কনফারেন্সে বলেন, পাম অয়েল রফতানি গত বছরের তুলনায় দশমিক ৩৪ শতাংশ কমতে পারে। গত বছরও রফতানি কমেছিল। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি গত বছরের তুলনায় ৬০ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। শীর্ষ ক্রেতা দেশ ভারত বর্তমানে পরিশোধিত পাম অয়েলের পরিবর্তে পরিশোধিত পাম অয়েল ক্রয়ে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে।

সিতাঙ্গাং আরো জানান, মোট পাম অয়েল রফতানি কমার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে অপরিশোধিত পাম অয়েল।

তিনি বলেন, ভারত বর্তমানে পরিশোধিত পাম অয়েলই বেশি কিনছে। এ বছর পরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি গত বছরের তুলনায় ২২ দশমিক ২ শতাংশ বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জিএপিকেআই এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রফতানি পূর্বাভাস কমিয়েছে। অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি ধীরে ধীরে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার।