সর্বকালের সর্বোচ্চ উচ্চতায় ভারতের রফতানি

32

চলতি অর্থবছরের (এপ্রিল-মার্চ) প্রথম সাত মাসে ২৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে ভারত। এর মাধ্যমে এপ্রিল-অক্টোবর সময়ে দেশটির রফতানি আয়ের এ পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ। রফতানি বৃদ্ধিতে পণ্যের উচ্চমূল্য সহায়তা করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরের রফতানি আয় সরকারের ৪০ হাজার কোটি ডলারের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টের খবরে বলা হয়েছে, এক দশক বা তারও বেশি সময় ধরে ভারতের বার্ষিক রফতানি আয় ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার কোটি ডলারের ঘরে অবস্থান করছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি আয় সবচেয়ে বেশি ছিল। সে সময় দেশটির মোট পণ্যের চালান ৩৩ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কভিডজনিত কারণে গত বছর তীব্র পতনের পর পণ্য রফতানি পুনরুদ্ধার হচ্ছে। আর এটি পুরো অর্থনীতিকে টেনে তুলতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে পণ্যের উচ্চমূল্য রফতানি আয়কে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। যদিও গত বছরের রেকর্ড নিম্নপর্যায়ের তুলনায় পরিমাণটা অনেক বেশি দেখাচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুসারে, এ বছরের এপ্রিল-সেপ্টেম্বর সময়ে ভারতের রফতানির শীর্ষ গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ভারত ৩ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। এর পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ২৯০ কোটি, চীনে ১ হাজার ২০০ কোটি, বাংলাদেশে ৬৫০ কোটি ও সিঙ্গাপুরে ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করা হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে রফতানি বাড়লেও কনটেইনার ঘাটতির কারণে নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন রফতানিকারকরা। উত্তর আমেরিকায় প্রকৌশলসামগ্রী সরবরাহ করা কলকাতাভিত্তিক প্যাটন ইন্টারন্যাশনালের অপারেশন বিভাগের প্রধান সুমিত গয়াল বলেন, সব ক্রেতার কাছে থেকেই আমরা ব্যাপক চাহিদা দেখছি। তারা এখন চীনের পরিবর্তে ভারত থেকে পণ্য কিনছে। আমরা আমাদের সক্ষমতা বাড়িয়েছি। চলতি বছরের মার্চ থেকে চাহিদা ৬০-৭০ শতাংশ বেড়েছে।