অবসরে যাচ্ছেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ

3

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) মঞ্জুর করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার), বিপি-৬৩৮৮০০০০২১, পুলিশ মহাপরিদর্শক, পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকাকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) এর ধারা ৪৩(১)(ক) অনুযায়ী অবসর দেয়া হলো।

তার অনুকূলে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ল্যাম্পগ্র্যান্ডসহ ১ অক্টোবর ২০২২ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এক বছরের অবসর ও অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) মঞ্জুর করা হলো।

তিনি বিধি অনুযায়ী অবসর ও অবসরোত্তর ছুটিকালীন সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

ড. বেনজীর আহমেদ ১৯৬৩ সালের ১ অক্টোবর গোপালগঞ্জের জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া প্যাসিফিক সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্টাডিজ, অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা চার্লস স্ট্রার্ট ইউনিভার্সিটি ও সিঙ্গাপুরে বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পড়াশোনা করেন ড. বেনজীর আহমেদ। ২০১৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

আইজিপি হিসেবে যোগদানের পর ড. বেনজীর আহমেদের হাত ধরে পুলিশে বেশকিছু সংস্কার এসেছে। যোগ হয় নতুন নতুন বিষয়, আধুনিক হয়ে উঠে পুলিশ বাহিনী। তার নতুন নতুন উদ্যোগের কারণে পুলিশ বাহিনী এখন হয়ে উঠে জনবান্ধব। ‘বিট পুলিশিং’ কার্যক্রম চালু করেন তিনি। এতে থানায় না গিয়ে ঘরে বসে পুলিশের সেবা পাচ্ছে মানুষ, কমেছে ভোগান্তি। পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও বেড়েছে।

২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার বেনজীর আহমেদকে দেশের ৩০তম পুলিশপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এরপর থেকে তার নানা পদক্ষেপের কারণে ‘জনমুখী পুলিশি সেবা’ পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। থানা থেকে বের করে পুলিশকে মানুষের দোরগোড়ায় নিতে একের পর এক সাহসী ও সময়োপযোগী নির্দেশনাও দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।